কাশির জন্য এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম ও ভেষজ উপায়ে
কাশি দুই ধরনের হতে পারে
ভাইরাল বা অ্যালার্জি জনিত (সবচেয়ে বেশি হয়) → এতে সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক দরকার হয় না।
ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে (যেমন নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, টনসিলাইটিস ইত্যাদি) → তখন ডাক্তার এন্টিবায়োটিক দিতে পারেন।
কাশির জন্য এন্টিবায়োটিক ঔষধের নাম ও ভেষজ উপায়ে
কাশির জন্য ব্যবহৃত সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক (ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে)
শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ হলে ব্যবহার করা হয়
Amoxicillin (Moxacil, Amoxil, Moxilin ইত্যাদি)
Amoxicillin + Clavulanic acid (Augmentin, Clavulin ইত্যাদি)
Azithromycin (Azin, Zimax, Azee, Xithrin ইত্যাদি)
Clarithromycin (Clamycin, Claribid ইত্যাদি)
Doxycycline (Doxicap, Vibramycin ইত্যাদি)
Cefixime (Cef-3, Taxim, Cefix ইত্যাদি)
Levofloxacin (Levobac, Levox, Floxin ইত্যাদি)
মনে রাখবেন, অ্যান্টিবায়োটিক সব কাশিতে কাজ করে না। ভাইরাল কাশিতে (যেমন ঠান্ডা-সর্দি) এগুলো খাওয়া একদমই প্রয়োজন নেই।
ভেষজ / ঘরোয়া উপায়ে কাশির চিকিৎসা
মধু:
এক চা চামচ মধু রাতে খেলে গলার জ্বালা ও কাশি কমে।
আদা:
গরম পানিতে আদা সেদ্ধ করে সেই পানি পান করুন → কাশি কমে।
তুলসী পাতা:
তুলসী পাতা ফুটিয়ে চা বানিয়ে পান করুন। শ্বাসনালী পরিষ্কার হয়।
যষ্টিমধু (লিকোরিস রুট):
গলার প্রদাহ ও কাশি কমাতে সাহায্য করে।
হলুদ দুধ:
গরম দুধে অল্প হলুদ দিয়ে রাতে পান করলে কাশি ও গলার ব্যথা কমে।
লেবু-মধু পানি:
অর্ধেক লেবুর রস + গরম পানি + মধু → কাশি ও গলা ব্যথায় কার্যকর।
লবণ পানির গার্গল:
গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে দিনে ২–৩ বার গার্গল করলে গলা পরিষ্কার থাকে।
ভাপ নেওয়া (Steam inhalation):
গরম পানির ভাপ গলা ও শ্বাসনালীকে আর্দ্র রাখে, কাশি কমায়।
করণীয়
ধুলো, ধোঁয়া, ঠান্ডা পানি, বরফ এড়িয়ে চলুন।
বেশি পরিমাণে পানি, স্যুপ, গরম তরল পান করুন।
যদি কাশি ২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয় বা জ্বর, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, রক্ত ওঠা থাকে → অবশ্যই ডাক্তার দেখান।
এম এ এস ওয়ার্ড স্টোরি এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন
comment url